সিলেট মিরর ডেস্ক
মার্চ ০৬, ২০২৬
০৭:২৪ অপরাহ্ন
আপডেট : মার্চ ০৬, ২০২৬
০৭:২৪ অপরাহ্ন
সিলেটে সাম্প্রতিক ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো ঘটনা বরদাশত করা হবে না।
আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার খোজারখলা মারকাজ জামে মসজিদের অজুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে সিলেটে একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে কিছু দিনের বেলাতেও সংঘটিত হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এসব অপরাধ দমনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সিলেটকে শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। যারা এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিনি।
নাগরিকদেরও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাড়া-মহল্লায় সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে জানাতে হবে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে এবং অপরাধ প্রতিরোধ সহজ হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, মারকাজ জামে মসজিদ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এ মসজিদের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রকল্পটি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, উপসহকারী প্রকৌশলী দেবব্রত দাশ তালুকদার, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মাহবুবুর রহমানসহ মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য সিলেট সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে প্রায় ৬৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে খোজারখলা মারকাজ জামে মসজিদের অজুখানা ও টয়লেট নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এএফ/০১