বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মৌমিতা হত্যা মামলার আসামি ৫

সিলেট মিরর ডেস্ক


মার্চ ০২, ২০২১
০৪:১৯ পূর্বাহ্ন


আপডেট : মার্চ ০২, ২০২১
০৪:৩০ পূর্বাহ্ন



বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মৌমিতা হত্যা মামলার আসামি ৫

রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী তাজরিন মোস্তফা মৌমিতার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে বাড়ির মালিকের ছেলে ফাইজারসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

ঘটনার তিন দিন পর সোমবার রাত ৮টার পর কলাবাগান থানায় মামলাটি দায়ের করেন মৌমিতার বাবা।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে মৌমিতার ফুফা মো. মোসাব্বির হোসেন বলেন, ‘বাড়ির মালিকের ছেলে ফায়জারসহ পাঁচজনকে আসামি করে কলাবাগান থানায় সোমবার রাতেই আমরা মামলা করেছি ।’

কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ বলেন, মৌমিতার পরিবার মামলা করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

সোমবারও এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৌমিতার পরিবার বলছে, মৌমিতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এতে বাড়ির মালিকের ছেলে ফাইজার ও তার বন্ধুরা জড়িত থাকতে পারেন। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করলে সত্য বেরিয়ে আসবে।

স্বজনরা জানান, মৌমিতা ও তার পরিবার কলাবাগান ৮ নম্বর রোডের ২ নম্বর বাড়ির চতুর্থ তলায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মৌমিতা সাততলা ভবনটির ছাদে ওঠেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরিবার জানতে পারে, মৌমিতা ছাদ থেকে পড়ে গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার রাতে রাজধানীর রায়ের বাজার কবরস্থানে মৌমিতাকে দাফন করা হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, ফাইজার দীর্ঘদিন ধরে মৌমিতাকে উত্ত্যক্ত করছিলেন। ফাইজার বাসার ছাদে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতেন। মৌমিতা পড়ালেখা শেষে মাঝেমধ্যে বিকেলে ছাদে উঠলেও তাকে উত্ত্যক্ত করতেন ফাইজার। মৌমিতার পরিবার বিষয়টি ফাইজারের পরিবারকে জানালে তারা ছেলের পক্ষ নেয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ওপর থেকে পড়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহ থেকে ব্লাড, ভিসেরা ও হাইভেজনাল সোয়াব সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এগুলো পরীক্ষার জন্য হিস্ট্রোপ্যাথলজিতে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে বলা যাবে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল কিনা। তার শরীরে ধস্তাধস্তির কোনো আলামত পাইনি। তবে তার শরীরে যেই আঘাতগুলো রয়েছে তা ভবন থেকে পড়ার কারণেই হয়েছে বলে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে।

আরসি-১৩