ওসমানীনগরে কালভার্ট নির্মাণে সহায়তা করে বিপাকে প্রবাসী

ওসমানীনগর প্রতিনিধি


জুলাই ২৭, ২০২০
০১:৪৬ অপরাহ্ন


আপডেট : জুলাই ২৭, ২০২০
০১:৪৬ অপরাহ্ন



ওসমানীনগরে কালভার্ট নির্মাণে সহায়তা করে বিপাকে প্রবাসী
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

সিলেটের ওসমানীনগরে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবারকে পানিবন্দির হওয়া থেকে বাঁচাতে এলজিইডি'র পাকা সড়কে ড্রেন কালভার্ট নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা করে বিপাকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের ঈশাগ্রাই গ্রামের বাসিন্দা মো. মজনু মিয়া।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনসহ স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে মজনু মিয়া জানান, এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে তার পরিবার। সম্প্রতি গলমুকাপন এলাকার ৫ শতাধিক পরিবারকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষায় বেগমপুর-হাজীপুর এলজিইডি সড়কে একটি ড্রেন কালভার্ট নির্মাণের জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারের মাধ্যমে চেয়ারম্যানের কাছে দাবি জানানো হয়। কিন্তু সরকারি বরাদ্দ না থাকায় চেয়ারম্যান স্থানীয় অনুদানে কালভার্ট নির্মাণের পরামর্শ দেন। এর প্রেক্ষিতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কালভার্ট নির্মাণ করার জন্য তিনি ৪০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। কাজ শুরুর পর সরকারি সড়ক কাটার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসমানীনগর থানার পুলিশ তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তার সামাজিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষাম্বিত হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ইন্ধনে একটি কুচক্রি মহল তার মান-সম্মান ক্ষুন্ন করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় ইউপি সদস্য কালভার্ট নির্মাণের জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সড়ক খনন করে কালভার্ট নির্মাণের কাজ শুরু হলে ওই সড়কে যাতায়াতের প্রতিবন্ধকতার দূর করতে কে বা কারা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানায়।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবদুর রব বলেন, চেয়ারম্যান বলেছিলেন এলজিইডির সড়কে কালভার্ট নির্মাণ করতে হলে এলজিইডি'র কাছে আবেদন করতে হবে এবং সেটা আমি সবাইকে অবগতও করেছিলাম। কিন্তু তা না করে মজনু মিয়া সড়ক খনন করে কালভার্ট নির্মাণ করলে কে বা কারা অভিযোগ দাখিল করেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী ওসমানীনগর থানার এসআই সুজিত কুমার চক্রবর্তী বলেন, উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেখানে কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়নি। মজনু মিয়ার আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ওসমানীনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তাহমিনা আক্তার বলেন, ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা দূরে থাক, দেখাও হয়নি। এলজিইডি'র সড়ক খননের অভিযোগ পেয়ে সেখানে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রেরণ করেছিলাম।

 

ইউডি/আরআর-১১