মুজিববর্ষের উপহার পেয়ে খুশি দোয়ারার ভূমিহীনরা

মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী, দোয়ারাবাজার


জানুয়ারি ১৩, ২০২১
০৫:২৫ অপরাহ্ন


আপডেট : জানুয়ারি ১৩, ২০২১
০৫:২৫ অপরাহ্ন



মুজিববর্ষের উপহার পেয়ে খুশি দোয়ারার ভূমিহীনরা

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতাধীন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ২৬০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাকা ঘর পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে সরকারি জমিতে পাকা ঘর তৈরির ৭০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মুজিববর্ষে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাকা ঘর পেয়ে খুশি বিস্তীর্ণ এলাকার ভূমিহীন ও গৃহহীন দরিদ্রপীড়িত মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দোয়ারাবাজার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৬০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারি ২ শতাংশ জমি দিয়ে পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। দুই কক্ষবিশিষ্ট প্রতিটি আধা পাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। সবগুলো ঘর একই নকশায় নির্মাণ করা হচ্ছে। রান্নাঘর, সংযুক্ত শৌচাগারসহ অন্যান্য সুবিধা থাকছে এসব ঘরে। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এসব ঘর নির্মাণ কাজ সরাসরি দেখভাল করছে উপজেলা প্রশাসন। 

উপজেলার হাওর অধ্যুষিত এলাকা দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের ৫, ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৭৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেয়েছে ৭৫টি ঘর। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বেশিরভাগ পাকা ঘরের প্রায় ৮০ শতাংশ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২৫টি পাকা ঘরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আগামী ২০ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর হস্তান্তর করবেন বলে জানা গেছে।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড়বন্দ গ্রামের জায়েদা বেগম বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার পাকা ঘর পেয়ে আমি অনেক খুশি। আমি তাঁর জন্য মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে দোয়া করি।'

উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য তাজির উদ্দিন বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সত্যিকারের একজন জনবান্ধব রাষ্ট্রনেতা। মুজিববর্ষে সারাদেশের ন্যায় আমাদের উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়ায় আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।'

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমদ বলেন, 'মুজিববর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতাধীন দোয়ারাবাজার উপজেলার ২৬০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য পাকা ঘর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। ঘর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ তদারকি করছে উপজেলা প্রশাসন। চলতি মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করে পাকা ঘর ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে হস্তান্তর করা যাবে বলে আমরা আশাবাদী।'

 

এইচএইচ/আরআর-০৪