জৈন্তাপুর প্রতিনিধি
এপ্রিল ০১, ২০২৬
০৭:৩৭ অপরাহ্ন
আপডেট : এপ্রিল ০১, ২০২৬
০৭:৩৭ অপরাহ্ন
সিলেট সীমান্ত দিয়ে আমদানী-রপ্তানিতে বরাবর শীর্ষ তামাবিল স্থল বন্দর। এই স্থল বন্দর দিয়ে সম্প্রতি রমজানের ঈদের ছুটি শেষে পুনরায় চালু হয়েছে। ছুটির পর স্থলবন্দরটি চালু হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আমদানী শুরু করেছেন পাথর। শ্রমিকদের মধ্যে ফিরে পেয়েছে কর্মতৎপরতা।
বন্দর ও পোর্ট কর্তৃপক্ষ সঠিক নিয়ম অনুসরন করে গাড়ী পরিমাপ ও ওজন নির্ণয় পর খালাস করছেন আমদানীকৃত পণ্য। অতি সম্প্রতি একটি সংবাদ প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ সংবাদটি সংশ্লিষ্ট পোর্ট ও বন্দর কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। যার করনে বন্দর ও পোর্ট কর্তৃপক্ষ আরও অতিরিক্ত গুরুত্বের সহিত বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করে রাজস্ব আদায় করছেন।
এ বিষয়ে তামাবিল পোর্টর ব্যবসায়ী মিছবাহুল আম্বিয়া প্রতিবেদকে জানান, যথা নিয়ম অনুসরণ করে তামাবিল স্থল বন্দর দিয়ে আমরা ভারত হতে পাথর আমদানী করে আসছি। এখানে সরকারি নিয়মের বাহিরে কোন কিছুই হচ্ছে না। একটি পক্ষ তামাবিল স্থল বন্দর নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানান।
ব্যবসায় মো. শাহরব জানান, তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে আমরা কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ী কোন রুপ ভাবে বন্দরটিতে ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করছি। যথা নিয়ম অনুসরন করে সরকারের রাজস্ব দিয়ে আসছি। আমাদের পাথর আমদানীর করার ফলে কর্মহীন অঞ্চলের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হচ্ছে। নতুবা এই অঞ্চলের শ্রমজীবি মানুষ কর্মের অভাবে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। এলাকায় দরিদ্রতা চরম আকার ধারণ করত। তামাবিল স্থল বন্দর নিয়ে একটি পক্ষ অপপ্রচারের চেষ্ঠা করছে, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এসব অপপ্রচার হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।
তামাবিল স্থল বন্দরের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম শাহপরান ও ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম সহ উপস্থিত ২০/২৫ জন্য ব্যবসায়ী জানান পাথরের অঞ্চল হিসাবে সিলেটের জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাট-কোম্পানীগঞ্জ অন্যতম খনিজ সম্পদের এরিয়া। সরকারি ভাবে কোয়ারী বন্দ থাকায় মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তার উপর একমাত্র বৈধ পথে আমরা তামাবিল স্থল বন্দর দিয়ে পাথর আমদানী করায় কিছুটা শ্রমিকদের উপকার হচ্ছে। ফলে সরকার সঠিক নিয়মে রাজস্ব পাচ্ছে। একটি চক্র শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদেরকে কর্মহীন করে ও সরকারের রাজস্ব বঞ্চিত রাখতে অপপ্রচার করাচ্ছে।
এবিষয়ে তামাবিল পোর্ট এর কর্তকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যথাযথ নিয়ম অনুসরন পূর্বক আমরা পোর্ট এর কার্যক্রম পরিচালনা করছি। এখানে কোন ধরনের অনিয়ম হচ্ছে না। সংবাদ প্রকাশের পর হতে আমরা আরও কঠোর ভাবে তদরকি করছি।
তামাবিল কাষ্টম সুপার শ্রাবানা বলেন, অনিয়মের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবুও সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় প্রতিটি গাড়ী পূর্বের চাইতে আরও কঠোর ভাবে ওজন পরিমাপ করে সরকারের রাজস্ব আদায় করছি। এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। আমারা সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করব বস্তু নিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করার আহবান জানান।
আরকেএম-০১/এএফ-০২