নিজস্ব প্রতিবেদক
এপ্রিল ০৩, ২০২৬
০৯:৩৩ অপরাহ্ন
আপডেট : এপ্রিল ০৩, ২০২৬
০৯:৩৩ অপরাহ্ন
বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘শিল্পের উৎপাদন জ্বালানির কারণে কমার সুযোগ নেই। যে সমস্ত শিল্প গ্যাসে পরিচালিত সেগুলোর গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করেই অন্য হিসাব করা হয়।’ এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবসহ যেসব জায়গা থেকে এলপিজি গ্যাস আমদানি করা হয়, সেখানেই দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়েছে।’
আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় সিলেট সফরে এসে বিকেলে নগরের কাজিরবাজার এলাকায় নিজ বাসভবনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পের উৎপাদন জ্বালানির কারণে কমার সুযোগ নেই। কারণ যে সমস্ত শিল্প গ্যাসের দ্বারা পরিচালিত হয় সেসমস্ত শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চি করেই অন্য হিসাব করা হয়। সেভাবেই জ্বালানী মন্ত্রনালয় তার গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘শুধু ব্যক্তি স্বার্থে নয়, দেশের সব মানুষের স্বার্থে যেন জ্বালানী ব্যবহারে আমরা সাশ্রয়ী হই। আমরা সাশ্রয়ী হবো যেন আরা জ্বালানী সেইভ করতে পারি। সেইভ করলে আমরা জ্বালানী দীর্ঘ সময় ব্যবহার করতে পারব। আমরা যদি সেইভ করতে পারি দেশের জন্য জ্বালানী কম আমদানী করতে হবে। এত আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার খরচ হবে কম। জ্বালানী নিয়ে অহেতুক আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। এ বিষয়ে স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে হবে।’
এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি কারণ সম্পর্কে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবসহ যেসব জায়গা থেকে এলপিজি গ্যাস আমদানি করা হয়, সেখানেই দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়েছে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত জ্বালানী তেলের দাম স্থিতিশীল থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাপানের সাথে আমাদের একটি ইকোনমিক পার্টানারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেটি এখনো পার্লামেন্টে পাশ হয়নি। সেটি পাশ হলে আনুষ্টানিকভাবে জানানো হবে। আমরা আশা করছি আগামীতে জাপানি বিনিয়োগে বেশি বেশি আবৃষ্ট করতে পারবো। এবং আমরা অনেকগুলো দেশের সাথে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্চি। এগুলো সম্পন্ন হলে এলডিসি গ্যাজুয়েশনের পরেও আমরা বিভিন্ন দেশে আমাদের পন্য প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রেফার ট্রিটমেন্ট পাবো।
এর আগে আজ সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি সিলেটে আসেন। এরপর নগরের পীরমহল্লা জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় শেষে মুসল্লি ও এলাকাবাসীর সাথে কুশল বিনিময় করেন। এরপর তিনি নিজ বাসভবনে বিকাল ৪টায় স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি ভারপ্রাপ্ত রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট চেম্বারের সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার মহাসচিব আব্দুর রহমান রিপন, এহতেশামুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সচিব নিয়াজ মো. আজিজুল করিম, আব্দুল হাদি পাভেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান প্রমুখ।