আদালতে জবানবন্দি দিলেন আরিফ, গউছ, বাবর: যুক্তিতর্ক ২১ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক


এপ্রিল ০৭, ২০২৬
০১:৫৪ অপরাহ্ন


আপডেট : এপ্রিল ০৭, ২০২৬
০১:৫৪ অপরাহ্ন



আদালতে জবানবন্দি দিলেন আরিফ, গউছ, বাবর: যুক্তিতর্ক ২১ এপ্রিল
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলা


সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত–এর ওপর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় সিলেটে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আসামিদের ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষ হয়েছে।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২১ এপ্রিল মামলার যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপরই রায়ের পর্যায়ে যাবে বিচারপ্রক্রিয়া।

আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে হাজির হয়ে শুনানিতে অংশ নেন আসামিরা।

তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সরকারদলীয় হুইপ জি কে গৌছ এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তাঁদের বক্তব্য, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করে। তারা ব্জানান শুরুতে দায়ের করা এজাহারে তাঁদের নাম ছিল না পরবর্তীতে সম্পূরক অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সিলেট বার কাউন্সিরের সদস্য  অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, মামলায় উপস্থাপিত ৬৭ জন সাক্ষীর কেউই আসামিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। এ কারণে তাঁরা আশা করছেন, পর্যাপ্ত ও জোরালো প্রমাণের অভাবে আসামিরা খালাস পাবেন। ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষ হওয়ায় এখন মামলাটি যুক্তিতর্কের পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে বিমানযোগে সিলেট আসেন এই তিন নেতা।

২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। গ্রেনেড বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলে নিহত ও ২৯ জন আহত হন। অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ওই ঘটনায় দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

২০২০ সালের ২২ অক্টোবর সুরঞ্জিত সেনের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনার দুটি মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, তৎকালীন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জিকে গৌছসহ ১০ জনকে আসামি করে অভিযোগ গঠন করা হয়।


এএফ/০৩