নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ২২, ২০২৬
০৭:৫২ অপরাহ্ন
আপডেট : জানুয়ারি ২২, ২০২৬
০৭:৫২ অপরাহ্ন
সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রমের বাইরে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের জনসভায় শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন মহলে।
বৃহস্পতিবার সিলেট নগরের চৌহাট্টায় সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আয়োজনে হওয়া ওই জনসভায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম এবং রেজিস্ট্রারকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সমাবেশের মঞ্চের সামনের অংশে থাকা বাঁশের ব্যারিকেড টপকে ভেতরে প্রবেশ করছেন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। পরে তারা সামনের সারির আসনে পাশাপাশি বসেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।
একটি অনলাইন গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী বলেন, তিনি আশা করেন তারেক রহমান বাংলাদেশকে একটি অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশে পরিণত করবেন।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, তারেক রহমানের কাছে পুরো জাতিরই অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। তাদেরও প্রত্যাশা আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সমাবেশে উপস্থিত থাকার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, এর আগেও তাকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে এবং তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সম্পর্কে অবগত। তার দাবি, তারা সেখানে কোনো নির্বাচনী প্রচারণায় যাননি, শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
তবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি দলের নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও আচরণবিধির প্রশ্ন তুলেছে বলে মনে করছেন সমালোচকরা। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
আরসি-০৬