সিলেট মিরর ডেস্ক
এপ্রিল ১২, ২০২০
০৯:১১ পূর্বাহ্ন
আপডেট : এপ্রিল ১২, ২০২০
১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম আঘাত হানে মহামারি করোনাভাইরাস। এরপর তা বিশ্বব্যাপী ছড়াতে থাকে। বর্তমানে বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। এ পর্যন্ত বিশ্বে আক্রান্ত হয়েছে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৮৪৫ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৭৭৯ জনের।
তবে ওয়ার্ল্ডওমিটার ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্য বলছে, কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার পর বিশ্বে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ২ হাজার ৭১৬ জন। অর্থাৎ, করোনায় বিশ্বে গড় সুস্থতার হার ২২ দশমিক ৬২ শতাংশ। আর জনপ্রতি হিসাবে বলতে গেলে, প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রতি চারজনে একজন সুস্থ হয়েছেন।
তবে হিসাব বলছে, করোনায় সুস্থতার হার সবচেয়ে বেশি চীনে-৯৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ। প্রথম আক্রান্ত স্থান চীনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮২ হাজার ৫২ জন, সুস্থ হয়েছেন ৭৭ হাজার ৫৭৫ জন। দেশটিতে মোট মারা গেছে ৩ হাজার ৩৩৯ জন।
তবে করোনায় সুস্থতার দিক দিয়ে তলানিতে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে কোভিড-১৯-এ সুস্থতার হার মাত্র ০ দশমিক ৪৩ শতাশ। যুক্তরাজ্যে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৯৯১ জন। তবে সুস্থ হয়েছে মাত্র ৩৪৪ জন। অর্থাৎ দেশটিতে সবচেয়ে কম রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মারা গেছে ৯ হাজার ৮৭৫ জন।
এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৫৭৯। এই দেশটিতেও সুস্থতার হার মোটেও সন্তোষজনক নয়। সেখানে সুস্থ হয়েছে ৩০ হাজার ৪৫৩ জন অর্থাৎ ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি মারাও গেছেন দেশটিতে ২০ হাজার ৫৭৭ জন।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত দেশ স্পেনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়েছেন ৫৯ হাজার ১০৯ জন অর্থাৎ ৩৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর মারা গেছে ১৬ হাজার ৬০৬ জন।
তৃতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে ইতালিতে ১ লাখ ৫২ হাজার ২৭১ জন। দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন ৩২ হাজার ৫৩৪ জন অর্থাৎ ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১৯ হাজার ৪৬৮ জন।
ফ্রান্সে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৬৫৪। সুস্থ হয়েছেন ২৬ হাজার ৩৯১ জন অর্থাৎ ২০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। দেশটিতে মারা গেছেন ১৩ হাজার ৮৩২ জন।
জার্মানিতে আক্রান্ত ১ লাখ ২৫ হাজার ৪৫২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৫৭ হাজার ৪০০ জন ৪৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আর মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৮৭১ জন।
দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশ ইরানে মোট আক্রান্ত ৭০ হাজার ২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪১ হাজার ৯৪৭ জন অর্থাৎ ৫৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দেশটিতে মোট মারা গেছেন ৪ হাজার ৩৫৭ জন।
এএফ/০৭