@Framework : Laravel 6 (IT Factory Admin) @Developer : Faysal Younus Daily Sylhet Mirror | বরেণ্য রাজনীতিবিদ সামাদ আজাদের জন্মশতবার্ষিকী আজ
বরেণ্য রাজনীতিবিদ সামাদ আজাদের জন্মশতবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক


জানুয়ারি ১৫, ২০২২
১২:০১ পূর্বাহ্ন


আপডেট : জানুয়ারি ১৫, ২০২২
১২:০৪ পূর্বাহ্ন



বরেণ্য রাজনীতিবিদ সামাদ আজাদের জন্মশতবার্ষিকী আজ

আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত আবদুস সামাদ আজাদের শততম জন্মবার্ষিকী আজ ১৫ জানুয়ারি। এ উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে সকাল ৯টায় কুরআন খতম, ১১ টায় ঢাকার বনানীতে মরহুমের কবর জেয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

সুনামগঞ্জে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সুয়েব চৌধুরীর উদ্যোগে উকিলপাড়ায় কেক কাটা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নোমান বখত পলিন। এছাড়া জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জে কেক কাটা ও আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

আবদুস সামাদ আজাদ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি একাধিকবার মন্ত্রী ছিলেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য থাকা অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আবদুস সামাদ আজাদ ১৯২২ সালের ১৫ জানুয়ারি তৎকালীন সিলেট জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ভুরাখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। 

আবদুস সামাদ আজাদ ১৯৪০ সালে সুনামগঞ্জ জেলা মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৪৬ সালে একই সংগঠনের অবিভক্ত আসামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে তাঁর সিদ্বান্তে ও নেতৃত্বে প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ করা হয়। ১৯৫৪ সালের সাধারন নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট থেকে এমএলএ নির্বাচিত হন এবং আওয়ামীলীগের শ্রম সম্পাদক হন।

১৯৫৮ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভ‚মিকা রাখেন এবং সর্বদলীয় রাজনৈতিক জোট এনডিএফ এর দপ্তর সাম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এ নেতা। ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে এমএনএ নির্বাচিত হন।

মুক্তিযুদ্বের প্রধান সংগঠকের একজন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগের পুনর্গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন এবং জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। 

১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৯৬ এর জনতার মঞ্চের অন্যতম রূপকার ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে বিরোধী দলীয় উপনেতার দায়ীত্ব পালন করেন। সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ মন্ত্রিসভায় সফল পররাষ্টমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ ২০০১ সালের নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি মারা যান।

আরসি-০১