মুহিবুর রহমান
জুলাই ১৩, ২০২০
০৩:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট : জুলাই ১৩, ২০২০
০৩:৩১ অপরাহ্ন
ভুয়া করোনার সনদ দিয়ে শত শত কোটি টাকা পকেটে ভরেছে মো. সাহেদ করিমের রিজেন্ট হাসপাতাল। রিজেন্ট হাসপাতাল অনুমোদন ছাড়াই চার বছর ধরে অবৈধভাবে হাসপাতাল ব্যবসা করে আসছিল। এসব যাদের দেখার কথা ছিল, তারা দেখেও না দেখার ভান করেছে।
সাহেদ করিম একধারে ব্যবসায়ী, টক শোর আলোচক; রাজনীতিবিদও। গণমাধ্যম আর মন্ত্রী-এমপিরা তাঁকে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিলেন। রাষ্ট্র ও সমাজের গণ্যমান্য লোকের সঙ্গে তাঁর ওঠাবসা।
সাহেদের কুকীর্তি এখন সবার মুখে মুখে। কিন্তু সাহেদের যেসব অপকর্ম গণমাধ্যমে আসছে, তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায়, এরকম কয়েক হাজার সাহেদ করিম আমাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সাহেদের এই ধরা খাওয়া নতুন কিছু নয়। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও প্রতারণার মামলা হয়েছে, তিনি জেলও খেটেছেন। শুধু আমাদের দেশই না; পাশের দেশ ভারতেও তিনি খুঁটি গেড়ে পাকাপোক্ত করেছিলেন।
তাঁর দুর্ভাগ্য তিনি অতি সাহস করে ফেলেছিলেন। রিজেন্ট হাসপাতালে করোনার চিকিৎসাসেবার নামে ন্যাক্কারজনক কাজে তাঁকে ধরা পড়তে হয়। দেশের আপামর মানুষের আলোচনায় আসেন তিনি।
সাহেদরা জাল বিস্তারে পটু। এদের কোনো প্রতিকার হয় না। বরং দৌরাত্ম্য নতুন করে শুরু হয়।
জেকেজি ও রিজেন্ট ভুয়া সনদ দিয়ে রমরমা ব্যবসা করে আসছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেই এসবের অনুমতি মেলে। কোনো কারণে হয়তো শাহেদের খবর বেরিয়েছে। এ রকম অনেক সাহেদ এখনো ক্ষমতার আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
তাই সরকারের কাছে অনুরোধ, সাহেদদের প্রতিহত করুন। এরা দেশ ও সমাজের শত্রু।
লেখক : ব্যবসায়ী