দেশে ফেরা প্রবাসীরা

আল-আমিন


অগাস্ট ২৪, ২০২০
০৮:৪৩ অপরাহ্ন


আপডেট : অগাস্ট ২৫, ২০২০
০১:১৬ পূর্বাহ্ন



দেশে ফেরা প্রবাসীরা

করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন অনেক প্রবাসী। দেশে ফিরে কোনো কাজ পাচ্ছেন না তাঁরা। ফলে তাঁদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোও বিপদে। জীবিকার সংকটে আছেন দেশে ফেরা ৭০ শতাংশ প্রবাসীকর্মী। এরকম একটি সংবাদ দৈনিক সিলেট মিরর পত্রিকায় পড়ে মনটা অনেক খারাপ হয়ে আছে। শঙ্কায়ও আছি। কারণ এমন সমস্যায় জর্জরিত আমিও। 

মিরর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২৩ শতাংশ কোভিড-১৯ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন এবং পরিবারের কাছে ফেরত আসতে চেয়েছেন। পরিবার তাঁদের ফেরত আসতে বলায় ফিরে এসেছেন ২৬ শতাংশ। সীমান্ত বন্ধ করে দিলে আটকে পড়ার ভয়ে ফিরে এসেছেন ৯ শতাংশ। 

কোভিড-১৯ এর কারণে উপার্জনব্যবস্থা, সামাজিক সেবা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক সহায়তার নেটওয়ার্কের অভাবে হাজারো অভিবাসী কর্মী প্রবাসে যে দেশে কাজ করছিলেন, সেখান থেকে বাংলাদেশে তাঁদের জেলায় ফিরে আসতে বাধ্য হন। জরিপ বলছে, কর্মস্থলে তথ্য ও স্বাস্থ্যসেবা পেতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন ৬৪ শতাংশ প্রবাসী।

জরিপে ৫৫ শতাংশ জানান, তাঁদের ওপর ঋণের বোঝা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ পরিবার ও বন্ধুর কাছে ঋণগ্রস্ত, ৪৪ শতাংশ ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এমএফআই), স্বনির্ভর দল এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণগ্রস্ত। এমএফআই, এনজিও এবং বেসরকারি ব্যাংক থেকে গৃহীত ৬৫ শতাংশকে ঋণের জন্য সুদ বহন করতে হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। মহাজন বা সুদে টাকা ধার দেন এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ক্ষেত্রে ৬২ শতাংশ ঋণগ্রহীতাকে সুদ গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ১৫০ শতাংশ।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় সবচেয়ে বিপদাপন্ন গোষ্ঠীদের মধ্যে রয়েছেন অভিবাসী কর্মীরা। তাঁদের পুনরায় মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক : সৌদি প্রবাসী

এএফ/০৫