খেলা ডেস্ক
আগস্ট ১৭, ২০২১
০১:০৬ অপরাহ্ন
আপডেট : আগস্ট ১৭, ২০২১
০১:০৬ অপরাহ্ন
তালেবান ক্রিকেট ভালোবাসে—আফগানিস্তানের ক্রিকেট কর্তাদের স্বস্তি আর আশার জায়গা এটিই। শীর্ষ এক তালেবান নেতার কথাও তেমনই। পাকিস্তানের একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় বসলে তারা নাকি ক্রিকেটের আরও উন্নতি করবে। তালেবান আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর ক্রিকেট না হয় চলবে, কিন্তু দেশটির অন্য খেলাগুলোর কী হবে! বিশেষ করে নারীদের ফুটবল?
রাজধানী কাবুল তালেবান নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর আতঙ্কে রয়েছেন আফগানিস্তানের ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা। গত কয়েক বছর ধরেই ফুটবলে আফগানিস্তান ভালো করছে। এশীয় ফুটবলে মধ্যম মানের শক্তি হিসেবে দেশটি ইতিমধ্যেই নিজেদের মেলে ধরেছে। দক্ষিণ এশীয় ফুটবলে শিরোপা জিতেছে। তালেবান আফগানিস্তানের ফুটবল নিয়ে কিছু না বললেও আফগান ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা শঙ্কিত ও আতঙ্কিত অন্য এক কারণে। তারা যে মেয়েদের ফুটবল চালু করেছেন। আর এটিই যে তালেবানের চোখে ‘বড় অপরাধ’। কাবুল তালেবান নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম আউটলুক।
ভারতের দিল্লিভিত্তিক এক ফুটবল কর্মকর্তা আউটলুককে জানিয়েছেন, আফগান ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, মেয়েদের ফুটবল চালু করার জন্য তাঁরা তালেবান–রোষে আক্রান্ত হতে পারেন। তাঁদের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে, ‘কাবুল তালেবান নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। বিমানবন্দর এলাকা মোটামুটি নিরাপদ। কিন্তু দ্রুতই তালেবান সেটি বন্ধ করে দিতে পারে।’
প্রভাকরণ নামের সেই ফুটবল কর্মকর্তা এরই মধ্যে বিষয়টি ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন। তবে এখনো সেখান থেকে কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানা গেছে। এদিকে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও আফগানিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের কর্তাদের কাছ থেকে এমন কোনো অনুরোধ পায়নি বলে জানিয়েছে।
২০০৭ সালে আফগানিস্তানে নারী ফুটবল দল গঠিত হয়। আফগানিস্তান তালেবান নিয়ন্ত্রণে চলে আসার পর থেকেই তীব্র আতঙ্কে ভুগছেন দেশটির নারী ফুটবলাররা। খালিদা পাপল জানিয়েছেন, তিনি কয়েক দিন ধরেই আফগান নারী ফুটবলারদের ফোনকল আর খুদে বার্তা পাচ্ছেন। নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত তারা, আতঙ্কিত তাঁদের পরিবার।
এএন/০৬